৪ কোটি টাকার স্বর্ণের বার জব্দ করেছে বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দা

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

৪ কোটি টাকার স্বর্ণের বার জব্দ করেছে বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দা

আব্দুল আল মামুন: দেশের প্রধান ও বৃহত্তম বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন দিয়ে পাচারের সময়ে ৫ কেজি ৩৬৯ গ্রাম স্বর্ণ আটক করা হয়েছে।

গত জানুয়ারী ২০২৩ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত এক বছরে এসব স্বর্ণ জব্দ করেছেন বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এসব স্বর্ণের বাজার মূল্য ৪ কোটি ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৬০ টাকা।

এর মধ্যে গত মার্চে ১ কেজি ৩০৯গ্রাম, এপ্রিলে ৩ কেজি ২৪৮গ্রাম ও জুনে ১১৬ গ্রাম, নভেম্বরে ৬৯৬ গ্রাম। এসব স্বর্ণ পাচারের সাথে সংশ্লিষ্টতার দায়ে সংস্থাটি সাত জন আসামিকেও আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে স্বর্ণ পাচারের মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, দেশের প্রধান এ স্থল বন্দরের আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে প্রতিদিন ভারতে প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে থাকেন। ভারতে যাতায়াতের সময়ে ছদ্দবেশী যাত্রীরা এসব সোনার বার ভারতে পাচার করার সময়ে বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এসব স্বর্ণের বার আটক করেন।

ভারতের তুলনায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কম থাকায় বড় বড় স্বর্ণের গডফাদাররা বাংলাদেশকে রুট হিসাবে ব্যবহার করে। মূলত স্বর্ণগুলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাই,কুয়েত ও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া থেকে প্রথমে বিভিন্ন ফ্লাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিয়ে আসে। এরপর এগুলা বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। তার মধ্যে বেনাপোল স্থল বন্দর সীমান্ত দিয়ে সব থেকে বেশি পরিমাণের স্বর্ণের চালান ভারতে পাচার হয়ে থাকে। ভারতের কলকাতার সাথে বেনাপোল বন্দরের  দূরত্ব খুবই কম থাকায় চালান গুলি দ্রুত পৌঁছাতে সহজ হয় এ সীমান্ত দিয়ে।

বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের সুপারেনডেন্ট মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, স্বর্ণ পাচার রোধে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সর্বদা সজাগ রয়েছে। ইমিগ্রেশন ব্যবহারকারী যাত্রীদের সন্দেহভাজন ভাবে তল্লাশি করে এবং দেহ স্ক্যানারের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এসব যাত্রীদের লাগেজ ও দেহের ভেতর থেকে গত এক বছরে পাঁচ কেজির অধিক পরিমাণ স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। এসব স্বর্ণের বাজার মূল্য ৪ কোটি টাকারও অধিক। আমরা আরো বেশি স্বর্ণ উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি চলতি বছরে বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন থেকে আরো বেশি পরিমাণে স্বর্ণ জব্দ করা সম্ভব হবে।

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *