স্বামীর পরকীয়া ঠেকাতে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিলেন স্ত্রী

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

বরিশাল প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলী বাজারে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক স্বামী মো. হাসানের পরকীয়া ঠেকাতে নিরুপায় হয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলেন প্রথম স্ত্রী।

স্বামীর পরকীয়া ঠেকাতে নিরুপায় হয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলেন প্রথম স্ত্রী। তার স্বামীর নাম মো. হাসান। তিনি বরগুনার তালতলী বাজারে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

তিনি ইতোমধ্যে ফাতিমা আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর প্রথম অযুফা বেগম তাদের বিয়ে করান।
১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে অজুফা ও হাসান নিঃসন্তান। আজ সোমবার বিকাল ৩টায় তালতলী থানা চত্বরের সামনের একটি চায়ের দোকানে বসে পরকীয়া প্রেমিকা ফাতিমার সঙ্গে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে দ্বিতীয় বিয়ে হয় হাসানের।

একইসঙ্গে প্রথম স্ত্রী অজুফা বেগমেরও নতুন করে আড়াই লাখ টাকার কাবিনে বিয়ে পড়ান কাজী মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ।
জানা যায়, উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. হাসানের সঙ্গে অজুফা বেগমের বিয়ের পর থেকেই পরকীয়া প্রেমে আসক্ত ছিলেন হাসান। এ নিয়ে পরিবারিক কলহ চলছিল। এরই মধ্যে সোমবার সকালে পরকীয়া প্রেমীকা ফাতিমার সঙ্গে দেখা করতে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী প্রেমিক-প্রেমিকাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

হাসানের প্রথম স্ত্রী অজুফা বেগম বলেন, স্বামীর পরকীয়া ঠেকাতে নিরুপায় হয়ে এই বিয়ে দিয়েছি। এ ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।

মো. হাসান বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে আমাকে ডেকেছে ফাতিমা। দেখা করতে গেলে লোকজন জড়ো করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে আমাকে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে প্রথম স্ত্রী অজুফা বেগমকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা কাবিনে ও ফাতেমাকে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে করি।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‌‘স্থানীয় লোকজন হাসানকে ও পরকীয়া প্রেমিকাকে আটক করে পুলিশ খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে হাসানের প্রথম স্ত্রীসহ উভয় পরিবারের লোকজনের কাছে তাদের জিম্মা দেওয়া হয়। হাসানের বর্তমান স্ত্রী অজুফা বেগমের সঙ্গে নতুন করে আড়াই লাখ টাকার কাবিন হয় ও প্রেমিকা ফাতিমা আক্তারের সঙ্গে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দেওয়া হয়।

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *