শিক্ষিত মানুষরা চুরি করলে দোষ না,অশিক্ষিতরা করলে রসাতল

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা:ঘরে, বাইরে ও নেত্রীর সামনে-যেখানে ন্যায্য কথা বলা প্রয়োজন বলব। কারণ নেত্রী ন্যায্য ও সত্য কথন পছন্দ করেন। রাজনীতি মানুষের সেবায় করছি। তাই মানুষের জন্য যদি ন্যায্য কথা বলতে না পারি ও সত্যি কথা বলতে না পারি তাহলে কী লাভ। দেশে শিক্ষিত মানুষরা চুরি করছে। তাতে কোন দোষ নেই কিন্তু অশিক্ষিতরা পেটের যন্ত্রনায় সামান্য কিছু চুরি করলেই দেশ রসাতলে চলে যায়। আমি একজন সংসদ সদস্য। আমার কাজ কথা বলা। জনগণের হয়ে তাই আমি কথা বলব, দেশের জন্য, মানুষের জন্য। কথাগুলো বলছিলেন নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষের জন্য স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কারণ সবাই জানত, বঙ্গবন্ধু সামনে আছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিকে রুখে দেওয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন এখন তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের উন্নয়ন আর অগ্রগতি ও সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনাকেই লাগবে। এটাই সত্যি। আজ রবিবার দুপুরে ফতুল্লার অক্টোফিস এলাকায় মরহুম সামসুজ্জোহা স্টেডিয়ামের কনফারেন্সরুমে করোনাকালে নানা সমস্যায় পতিত ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রীর অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে বলেন, ঈদের পর আপনাদের নিয়ে সুন্দর নারায়ণগঞ্জ গড়তে নামব। সবাই সত্যিটা লিখবেন। কাউকে ছাড় দেবেন না, প্লিজ! সেটা আমি হলেও ছাড় দেবেন না।

তিনি কারোনাকালে নানা সমস্যায় পতিত উপস্থিত ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ করে বলেন, আপনারা ভেঙে পড়বেন না। আল্লাহ বলেছেন, তোমরা হতাশ হইয়ো না। একটি কথা মনে রাখবেন। আকাশে কালো মেঘ জমবে। আবার মেঘ সরে গিয়ে আলো আসবেই। তাই আশা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এখানে একটি ছেলে আছে- ফুটবলার আরিফ। সে করোনাকালে টিম না পেয়ে বেকার হয়ে রাজজুগালির কাজ করছে। এতে লজ্জার কিছু নেই। আমি কানাডা থাকতে দোকানে কাজ করেছি, ফার্মে কাজ করেছি। কৃষিকাজ করেছি। কাজে কোনো লজ্জা নেই। আর স্পোর্টসম্যান নামই তো খেলা। তার সারা জীবন একটি খেলা। শুধু খেলা ছাড়া যাবে না।

বক্তব্য শেষে করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সংগঠকদের ৭০ জনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ৪৫ জন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব উদ্যোগে আরো ২৫ জনকে সংযুক্ত করে ৭০ জনকে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিমউদ্দিন। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ টিটু, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শামীম বেপারী, ক্রীড়া সংগঠক ইব্রাহীম চেঙ্গিস, জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার গোলাম রসূল গাউস, ক্রীড়া সংগঠক ফিরোজ মাহমুদ শ্যামা, ইসদাইর রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *