স্টাফ রিপোর্টার: যশোরে চাঞ্চল্যকর ইয়াসিন হত্যার অন্যতম আসামি যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি বদিউজ্জামান ধনিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ধনি যুবলীগ কর্মী ইয়াসিন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। ওই মামলায় কয়েকদিন আগে তিনি জেল থেকে বের হন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরকসহ আরো ১১ টি মামলার রয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা দিকে শহরের নাজির শংকরপুরের আকবরের মোড়ে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত বদিউজ্জামান ধনি যশোর শহরের চোপদারপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে।
নিহত ধনীর ভাই মনি জানান, ধনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন। এমন সময় অজ্ঞাত ৮/১০ জন লোক ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধনির উপর আতর্কিত হামলা চালায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
এদিকে একটি সূত্র জানায়, নিহত ইয়াসিনের এক নিকট আত্মীয়ের নেতৃত্বে তার উপর হামলা চালানো হয়েছে। ওই আত্মীয়ের বাবার সাথে ধনির ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব চলছিলো। এর জেরেই হত্যা করা হয়েছে তাকে।
এদিকে ধনির মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে যান খুলনা বিভাগীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। তারা দ্রুত হত্যার সাথে জড়িতদের আটকের দাবি জানান।
এ বিষয়ে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক রানা বলেন, এঘটনায় কারা জড়িত তা কারো অজানা নয়। তিনি জড়িতদের আটকে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ তাজুল ইসলাম বলেন, হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশের কয়েকটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধান করছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি নিষিদ্ধ হওয়ার পর পুলিশ অপরাধীদের ধরতে অভিযানে নামবে বলে তিনি জান।