স্টাফ রিপোর্টার: সারাদেশ যখন করোনা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এই মহামারী প্রতিরোধে পুলিশ বাহিনীসহ সরকারের সব কর্তা ব্যক্তিরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে ।তারপরেও দেশে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও নারী পাচারকারী চক্র সর্বদা সক্রিয় রয়েছে। অর্থলোভী এসব নরপশু প্রতিদিন নতুন নতুন কলাকৌশল অবলম্বন করছে। লোভী নরপশুরা দেশের অর্থনৈতিক সংকট মুহূর্তে নারী বিকিকিনিতে নিয়োজিত রয়েছে। অর্থনৈতিক সংকট দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের এখন প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই সুযোগে এক শ্রেণীর নারী পাচারকারীরা নারীদেরকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে তারা দেশের পতিতালয় ও ভারতে বিক্রি করে যাচ্ছে। গতকাল রাতে ঢাকা নবাবপুর এলাকার নারী পাচারকারী সেলিম এক নারীকে ঢাকার উত্তরা থেকে ফুঁসলিয়ে আজ সকাল আটটার দিকে যশোরে পতিতালয়ে বিক্রির চেষ্টা করে ।কিন্তু স্থানীয় লোকজন বিষয়টি বুঝতে পারলে সে যশোর চার খাম্বা এলাকা থেকে সটকে পড়ে। এরপর তাকে পুলিশ ও স্থানীয়রা হন্যে হয়ে খুঁজলেও তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে এ পাচারকারী চক্র যশোর তাদের খড়কী এলাকায় আরেক সদস্য রয়েছে। সেলিম সেখানে আছে। নুরুল ইসলাম নামে চক্রের মূল হোতা ঢাকার নবাবপুর এলাকায় রয়েছে। সে ঢাকায় এই চক্রটি পরিচালনা করে থাকেন। বিভিন্নভাবে গার্মেন্টসের কর্মীসহ বিভিন্ন কর্মীদেরকে ফুসলিয়ে নিয়ে এসে যশোর ও দৌলদিয়া পতিতালয় বিক্রি করেন। এমনকি সুন্দর সুন্দর নারীদের ফুসলিয়ে নিয়ে এসে ভারতে পাচার করে থাকে এই চক্রটি।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় চক্রের মূল হোতা নুরুলের কাছে জানতে (০১৭১৮৫৫৩৭৯৯) চাইলে তিনি বলেন, যে সেলিম নারীটিকে যশোর নিয়ে গেছে সে আমার বন্ধু।নারীর পরিবারের সম্মতিতে যশোরে একজন কবিরাজের কাছে নিয়ে গেছে। একথা বলে তিনি সাথে সাথে মোবাইলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
বিষয়টি নিয়ে যশোর চাঁচড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহজাহান সরদার বলেন, যশোরে এখন অধিকাংশ জায়গায় লকডাউন চলছে । কোন নারী কে এখানে নিয়ে এসে যদি বিক্রি বা অন্য কোন অবৈধ কাজে সংশ্লিষ্ট থাকে তাকে অবশ্যই ধরা হবে।বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে।