নিজস্ব প্রতিনিধি: বেনাপোল পুটখালী, দৌলতপুর গাতিপাড়া, গোগা, ভুলোট,সাদিপুর, রঘুনাথপুর ঘিবা ও শিকারপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে দেদারছে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে মাদকদ্রব্য। আর এসব মাদক পাচারকারীদের রুখতে গত একমাসে ৩ মাদক ব্যবসায়ী বিজিবির গুলিতে আহত ও নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মাদকদ্রব্য ভারত থেকে বাংলাদেশ নিয়ে আসার সময়ে বিজিবির গুলিতে আলামিন (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে আলামিন বিজিবির হেফাজতে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আলামিন বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। বিজিবি আল আমিনের কাছ থেকে ৪৬ বোতল ফেনসিডিল ও ১ টি হাসুয়া উদ্ধারের দাবি করেছে। আলামিনকে গত এপ্রিল মাসে ২৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ পুটখালী বিজিবি আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করে। সে জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসায়ী শুরু করে। সে একজন এলাকায় চিহ্ন মাদক ব্যবসায়ী ও তার নামে ৪ টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি।
উল্লেখ্য এর আগে ৮ই জুন রহমত আলী নামে এক মাদক ব্যবসায়ী পুটখালী সীমান্তে বিজিবির গুলিতে গুরুতর আহত হয়। ১০ ই জুন পুটখালী সীমান্তের ইছামতি নদী থেকে শরিফুল ইসলাম নামে একজনের লাশ উদ্ধার করে বিজিবি । সর্বশেষ ২৪ শে জুন পুটখালী সীমান্তে আলামিন নামে এক মাদক ব্যবসায়ী বিজিবির গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতলে চিকিৎসাধীন আছে।
পুটখালী বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাকির হোসেন জানান,চোরাকারবারীদের প্রতিরোধ করতে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। যে কারনে মাঝেমধ্যে বিজিবির গুলিতে চোরাকারবারি মাদক ব্যবসায়ীরা আহাত হচ্ছে। গতকাল রাতেও একদল চোরাকারবারী ভারত থেকে ফেনসিডিল নিয়ে পুটখালী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় বিজিবির বাধার মুখে পড়লে চোরাকারবারীরা বিজিবি উপর চড়াও হয়। এসময় বিজিবি সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। বর্তমানে আলামিন বিজিবি হেফাজতে যশোরে চিকিৎসাধীন আছে বলে তিনি জানান।