অভয়নগর প্রতিনিধি : যশোরের অভয়নগরে প্রতিপক্ষের হামলায় বাহিনী প্রধান জিয়া ফকির (৩৮) নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) রাতে উপজেলার শুভরাঢ়া ইউনিয়নের রানাগাতী গ্রামের একটি দোকানে বোমা হামলার ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। সে অভয়নগর উপজেলার শুভরাঢ়া ইউনিয়নের রানাগাতী গ্রামের ওহাব ফকিরের ছেলে।
চা দোকানদার জাবের বিশ্বাস জানান, শুক্রবার রাতে আমার দোকানে বসে জিয়া চা খাচ্ছিল। এমন সময় কয়েকজন লোক আমার দোকানে ঢুকে জিয়াকে লক্ষ্য করে বোমা মেরে দ্রুত পালিয়ে যায়। বোমা তার শরীরে পড়লে ঘটনাস্থলে জিয়া মারা যান।
নিহতের মা হাজেরা বেগম বলেন, গতকাল শুক্রবার রাতে আমার ছেলে জিয়াউর রহমান স্থানীয় জাবের বিশ্বাসের চায়ের দোকানে চা পান করছিল। এ সময় ৪/৫ জন সন্ত্রাসী ওই চায়ের দোকানে ঢুকে জিয়াউর রহমানের ওপর ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে জিয়াউর রহমান গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম মেহেদী মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ককটেলের আঘাতে জিয়া ফকির নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। কারা এই ককটেল হামলা চালিয়েছে তা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। নিহত জিয়া ফকিরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে বলে শুনেছি। সে বিষয়টিও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের মা হাজেরা বেগম বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ ইতোমধ্যে এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। হত্যাকারীদের দ্রুতই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। নিহত জিয়াউর রহমান চরমপন্থি দলের সদস্য ছিল। তার নামে থানায় দুটি হত্যা ও দুটি নাশকতার মামলা রয়েছে।