তরিকুল ইসলাম মিঠুঃ-যশোরঃ-যশোরের সীমান্তগুলো দিয়ে কুরবানির চামড়া পাচারে দু’শতাধিক চোরাকারবারী তৎতপর রয়েছে। দেশের চামড়া বাজারে চামড়ার দর পতনের কারণে চোরাকারবারীরা আরো ব্যবহার হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য চোরাকারবারীরা প্রতিবছর বাংলাদেশের কুরবানির চামড়া বেশি মুনাফার আশায় যশোর সীমান্তের বিভিন্ন চোরাইঘাটগুলো দিয়ে ভারতে পাচার করে থাকে । গরু,মহিষ,ছাগল কুরবানি করার পর এসব চামড়া রাতারাত্রি দেশের বিভিন্ন অঞ্চাল থেকে যশোর জেলা সদরে পৌচ্ছে যায়। তাছাড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চামড়ার মোকাম যশোর রাজার হাটে একুরবানির চামড়া বিকি-কিনি হয় । এসব হাট থেকেও চোরাকারবারীরা চামড়া ক্রয় করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখে। এর পর রাতারাত্রি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে এসব কাঁচা চামড়া ভারতে চলে যায় ।
পাচারকাল প্রতিবছর কুরবানির এসব চামড়ার খুবই কম পরিমানেই বিজিবি আটক করতে সক্ষম হন। এলাকার অধিকাংশ কাঁচাচামড়া ভারতে পাচার হয়ে যায়।
সীমান্তগুলোর মধ্যে বেনাপোল বড় আঁচড়া গোগা,ভুলোট,পুটখালী,সাদীপুর,রুদ্রপুর,ঘিবা,ছুটিপুর,কাশিপুর,রঘুনাথপুর, উল্লেখ্যযোগ্য । এ বছরও তার ব্যতিরিক হবে না বলে একাধিক সুত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সীমান্তের একাধিক সুত্র জানিয়েছে, যশোরের প্রায় দু’শতাধিক চোরাকারবারী চামড়া পাচারের ইতোমধ্যে সব কলাকৌশাল তৈরি করে ফেলেছে। চোরাকারবারীদের গডফাদারা সীমান্তে কে কোন দায়িত্ব পালন করবে সেটিও ইতোমধ্যে নির্ধারণ করেছে ।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে.কর্নেল সাহেদ মিনহাজ সিদ্দিকী ও খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে.কর্নেল তানভীর রহমান (পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স) জানিয়েছেন প্রতিবছর কুরবানির চামড়া পাচার করতে সীমান্ত জুড়ে চোরাকারবারীরা তৎপর থাকে। যে কারণে সীমান্ত গুলো দিয়ে কুরবানির চামড়া পাচার রোধে বিজিবিকে কঠোর সর্তকতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে বলে জানান এ দু’ কর্মকর্তা।