নিজস্ব প্রতিনিধি: চৌগাছা বহুল আলোচিত ও চঞ্চল হত্যা ও বস্তাবন্দি করে লাশ ফেলে রাখা রহস্য উদঘাটন করেছে যশোরে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার দায়ে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা পরকীয়া প্রেমিকা ফুলবানু তার পুত্র সবুজ ও তুহিন নামে দুজনকে আটক করে আগেই।তাদের স্বীকারোক্তিতে গতকাল রোববার ঢাকা গাজীপুর কোনাবাড়ী এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি রফিকুল কে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা।
যশোর গোয়েন্দা পুলিশের সূত্র থেকে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম গত ৩ই জুন গরু ক্রয়র নাম করে নিজের শ্বাশুড়ী ফুলবানুর পরকীয়া প্রেমিক বিপুল কে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার নিজ বাড়িতে। এ সময় শ্যালক সবুজ ও তুহিন নামে আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে নিজ ঘরে গলায় রশি দিয়ে ও মাথায় আঘাত করে বিপুল কে হত্যা করে। এরপর রাত দশটার দিকে বিপুলের লাশ একটি বস্তা ভর্তি করে আলমসাধু করে চৌগাছার গোবিন্দপুর বাওড়ে ফেলে রেখে যায়। পরের দিন সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ।পরের দিন নিহতের ছেলে রাকিব আহমদ এর অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় একটি মামলা রুজু হয়। মামলাটি চাঞ্চল্যকর হাওয়াই যশোরের পুলিশ সুপার মামলাটি যশোর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কার দায়ে যশোরের গোয়েন্দা পুলিশ তুহিন ও সবুজ কে আটক করতে সক্ষম হলেও প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম ঢাকাতে আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে রফিকুল কে গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকা গাজীপুর কোনাবাড়ী এলাকা থেকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান ডিবি কর্মকর্তারা গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা।
যশোরের গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত অফিস ইনচার্জ সৌমেন দাস জানান, প্রথমদিকে দুই আসামি আটকের পর নিশ্চিত হই রফিকুল এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড। সুপরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে সে ঢাকাতে আত্মগোপনে আছে। এক পর্যায়ে প্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল তাকে ঢাকার কোনাবাড়ী থেকে আটক করা হয়। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।