নিজস্ব প্রতিনিধি: যশোর সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অফিসের ৩৭ জন স্টাফের মধ্যে ১০জনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত্ত হয়েছে। আক্রান্তত ১০ জনের মধ্যে পাঁচজন সুস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মীর আবু মাউদ। এছাড়া এই অফিসের ১০৯ জন মাঠকর্মীর মধ্যে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন দুজন। আক্রান্তদের সবাই চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এ অফিস থেকে সপ্তাহে চার দিন দেড়শ থেকে দুইশ জন ডায়াবেটিস রোগীর ওষুধ সরবরাহ করা হয় বিনামূল্যে। রবি থেকে বুধবার চার দিন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ডায়াবেটিক রোগীরা এখানে আসেন বিনামূল্যের ওষুধ নেওয়ার জন্য। তবে ওষুধ নিতে আসা অধিকাংশ রোগীদের সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি এবং তাদের মুখেও দেখা যায়নি মুখের মাস্ক। যে কারণে করোনা উৎপত্তির হটস্পট এই কেন্দ্র থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে মহামারী প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে বহুগুণে ।
অফিসের এত স্টাফ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে ডাক্তার আবু মাউদ জানান, এখানে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ডায়াবেটিস রোগীরা আসেন। কোন রোগীর দেহে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আছে তা জানা অনেক কঠিন । প্রতিদিনই এই সমস্ত লোকজনের খুব কাছে গিয়ে আমার স্টাফরা তাদেরকে ওষুধপত্র দিচ্ছে। যে কারণে অফিসের একটা বড় অংশ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আমর অফিস করোনা মুক্ত রাখতে প্রতিদিন এখানে সেবা নিতে আসা রোগীদেরকে মাইকে সতর্ক ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। তারপরও এখানকার লোকজন বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে তিনি জানান।