গুরুতর আহত অবস্থায় ওই মুয়াজ্জিনকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে মুসল্লিরা।
শুক্রবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ৮ টার সময় শার্শা উপজেলার গাজীর কায়বা গ্রামের উত্তর পাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। আহত শাহারুল ইসলাম শার্শার গাজীর কায়বা গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে ও গাজীর কায়বা উত্তর পাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কমর্রত আছে।
অভিযুক্তরা হলেন, একই গ্রামের আনোয়ারুল ইসলাম ও তার ছেলে মেহেদী হাসান ও সাঈদী হাসান এবং চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম।
আহত মুয়াজ্জিন শাহারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার মাগরিবের নামাজ শেষে মুসুলিরা সবাই চলে গেলেও অভিযুক্ত আনোয়ারুল ইসলাম মসজিদে লাইট, ফ্যান জ্বালিয়ে বসে ছিলো। এসময়ে তিনি লাইট জ্বালাতেও ফ্যান চালিয়ে গল্প করতে নিষেধ করে। এতে দু’জনার ভিতর এ নিয়ে তর্ক বিতকের্র এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরিবর্তিতে আনোয়ারুল ও তার ছেলে ভাই এবং চাচাতো ভাইয়ের নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাকে মারতে থাকে। আমার ছেলে মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমান ঠেকাতে গেলে তাকেও বেদম মারপিঠ করে। পরে স্থানীরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মসজিদের মুসল্লী নজরুল ইসলাম বলেন, আমি নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে গেছিলাম। কিন্তু পরে কি ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে আমরা কিছুই বলতে পারবো না। তবে পরে আশেপাশে লোকজনের কাছ থেকে জানতে পেরেছি মুয়াজ্জিন সাহেব মসজিদের লাইট- ফ্যান বন্ধ করে বাইরে যেতে চেয়েছিলো। তবে আনারুল নামে ওই যুবক মসজিদে তখন ও ফ্যান ও লাইট জ্বালিয়ে বসেছিলো। মসজিদে কাউকে আসার অপেক্ষায়। বিষয়টি নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিতর্ক একপর্যায়ে আনারুল তার লোকজন নিয়ে মুয়াজ্জিনকে বেধড়ক মারধর করেছে। এটা চরম অন্যায় করেছে। তার কোন সমস্যা থাকলে তিনি মসজিদের কমিটিকে জানাতে পারতেন বলেও তিনি জানান।
জানতে চাইলে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম আকিকুল ইসলাম বলেন, মসজিদের মুয়াজ্জিনকে মারার ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন তার ছেলে ও মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমান। বিষয়টি তদন্তের জন্য থানার এক তদন্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।