স্টাফ রিপোর্টার: স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে জেলা পুলিশের আয়োজনে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পথসভা ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বেলা আড়াইটায় যশোর জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সমাজের সকল পেশাজীবি মানুষের উপস্থিতিতে এ পথসভা ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার ও অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম(বার), পিপিএম।
পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে বলেন, আজকের দিনটি হলো আমাদের আনন্দের দিন। আর এই আনন্দঘন মুহুর্তটি সকলের সাথে ভাগা-ভাগি করে নিতেই জেলা পুলিশের এই আয়োজনে।
তিনি আরো বলেন, আমরা বাঙালি জাতি যে পারি সেটা সর্বপ্রথম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন করে দেখিয়েছিলেন এবং তারই যোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার একক প্রচেষ্টা ও সাহসিকতায় আজকের এই পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। পৃতিবীর দ্বিতীয় সর্ব বৃহত্তর খরস্রোতা নদী পদ্মার বুকে নিজেদের অর্থায়নে সেতু স্থাপন করে দেখিয়েছেন। তবে এটি বাস্তবায়নের পথ ততটা সহজ ছিলো না।দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের বাঁধা পেরিয়ে তার একক প্রচেষ্টায় এটি বাস্তবায়ন হয়েছে।

সারা বাংলাদেশ তথা দেশের আঞ্চলিক উন্নয়নে পদ্মা সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।এটি দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে।কোন ষড়যন্ত্র, কোন অন্যায়-অবিচার, কোন নেতিবাচক কর্মকান্ড বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ তথা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।
সবশেষে তিনি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং একই সাথে উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের আমন্ত্রণে আগত সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা প্রশাসক মোঃ তমিজুল ইসলাম খানসহ আগত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে পুলিশ সুপারের কার্যালয় হতে একটি সুসজ্জিত র্যালি শহরের প্রাণ কেন্দ্র দড়াটানা মোড় হয়ে কোতয়ালী মডেল থানা প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী-লীগের সংগ্রামী সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাগণ, নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, জেলা পুলিশের সকল পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দসহ সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।