অনলাইন ডেস্ক:চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় দুই বোনকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের বাবাই দুজনকে খুন করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বুধবার ভোরের কোনো একসময় উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের ভাণ্ডারগাঁও গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।খুন হওয়া দুই বোন হলো- টুকু বড়ুয়া (১৫) এবং নিশি বড়ুয়া (১০)।
এদের বাবার নাম মুকুন্দ বড়ুয়া।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন জানান, মুকুন্দ বড়ুয়ার স্ত্রী প্রায় পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন। তার বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায়। পটিয়ায় তার শ্বশুরবাড়ি।
মুকুন্দ লাইটারেজ জাহাজে চাকরি করতেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি শুরুর পর তার চাকরি চলে যায়। দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ওঠেন।
ওসি বোরহান বলেন, “এলাকার লোকজন বলছেন, দুই মেয়েকে হত্যার পর মুকুন্দ নিজে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। দুই মেয়ের গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন আছে। তাদের গলাটিপে মারা হয়েছে। মুকুন্দকে অজ্ঞান অবস্থায় পেয়েছি। তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন কিনা সেটা নিশ্চিত নয়। মেয়েদের খুনে তিনি জড়িত কিনা সেটা আরও তদন্ত করতে হবে।”
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. ইউসুফ বলেন, “প্রতিবেশীরা বলেছেন, মুকুন্দ খুবই রাগী ছিলেন। রাগের মাথায় দুই মেয়েকে খুন করে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।”
ওসি বোরহান বলেন, “হত্যাকাণ্ডের কারণ আমরা এখনও নিশ্চিত নই। হয়তো অভাবের কারণে কিংবা শ্বশুরবাড়িতে থাকার হতাশা থেকে হতে পারে। অথবা পারিবারিক ঝগড়া থেকেও হতে পারে। তৃতীয় পক্ষও থাকতে পারে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।”