নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের বেনাপোলে গত ২৬শে মার্চে ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ ‘পত্রিকার ব্যাক পেজে চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করে প্রতিদিনের বাংলাদেশ প্রতিবেদক তারিকুল ইসলাম মিঠু।
এ ঘটনায় সীমান্ত জুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরপরই প্রতিদিনের বাংলাদেশ প্রতিবেদককে মাদক চোরাকারবারি ও মাদক সেবী অসিম চক্র লোক মাধ্যমে নানা হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে আজ দুপুর বেলা একটার দিকে সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম মিঠুকে বেনাপোল ছোটআচড়া মোড়ে একটি ইজিবাইক থেকে নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সংঘবদ্ধ এ চক্র। একপর্যায়ে সাংবাদিক আত্মরক্ষার্থে পাশের বাসা নুর ইসলামের বাড়ির একটি ঘরের ভেতরে ঢুকে যায়। এখানেও তারা সাংবাদিককে বের করে মারধরের চেষ্টা করে। পরে চক্রটি ওই বাড়ির দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে সাংবাদিককে লাঞ্জিত করে। এ ঘটনায় ওই বাড়ির মালিক নুর ইসলাম ও তার স্ত্রী ঠেকাতে গেলে তারাও গুরুতর আহত হয়। পরে আত্ম রক্ষার্থে সাংবাদিক পুলিশকে খবর দিলে সাথে সাথে বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকের উদ্ধার করেন এবং থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার রজু করতে বলেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম মিঠু থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশের পরামর্শে সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম মিঠুকে শার্শা নাভারণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, অসীম বেনাপোল ভবারবেড় ড্রাইভের মুকুলের ছেলে। সে একজন ইয়াবা সেবীও ইয়াবা ফেনসিডিল ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন সে বেনাপোলে একটি চক্র নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন সময়ে সে এসব মাদকদ্রব্য ভারত থেকে সীমান্তের চোরাইঘাট ও লাগেজ পার্টির মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করান। তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে আর ইমিগ্রেশনে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। যে কারণে সে পাগল হয়ে গেছে। এক পর্যায়ে সংবাদ প্রকাশকারী সাংবাদিককে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে থাকে এবং সাংবাদিককে সনাক্ত করেন। আজ দুপুরে সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম মিঠু বেনাপোল ছোট আচড়া মোড়ে আসলে তার উপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত বলেন, অসীম একজন মাদকাসেবী। তাকে ধরতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা লেখায়। সাংবাদিকের উপরে আক্রমণ করেছে। আক্রমণের ঘটনা শোনার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করা হয়েছে। এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলার রজু করা হয়েছে। রাতের মধ্যেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি ।