নিজস্ব প্রতিনিধি,যশোর:বাইসাইকেল চুরির মামলা রজু হওয়ার এক দিন পর ১১টি বাইসাইকেলসহ ৩ চোরকে আটক করেছে যশোর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা। মঙ্গলবার রাতে যশোর সদর থানার আবাদ কচুয়া এলাকার হাসানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব বাইসাইকেলসহ হাসানুরকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। আটক হাসানুর ওই এলাকার আব্দুল মালেক মোল্যার ছেলে। পরে তার স্বীকারাক্তি মোতাবেক চোর চক্রের আরো দু’ সদস্যকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হলেন, ১। মোঃ সবুজ (২৮), পিতা-মোঃ চান মিয়া, সাং-পুরাতন কসবা, নিরিবিলি রোড, শান্ত এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া ২। মোঃ ওয়াদুদ দফাদার (৩৩), পিতা-নওয়াব আলী দফাদার, সাং-নরেন্দ্রপুর পূর্বপাড়া, উভয় থানা- কোতয়ালী, জেলা- যশোর। যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুর রহমান বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস বিফিং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যশোর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুর রহমান বলেন, গত ১১ই জানুয়ারী সকাল ৯ টার দিকে বাঘারপাড়া উপজেলার জয়নগর এলাকার আব্দুল গফফার মোল্যার ছেলে রিফাত হোসেনও মুন্না একটি টাটা জাম্বো লাল ও কালো রংয়ের বাইসাইকেল যোগে যশোর ডিসি অফিসে বিল্ডিংয়ের রংয়ের লেবার হিসাবে কাজ করার জন্য আসে। এরপর ডিসি অফিসের দক্ষিন পাশে গাড়ী রাখার গ্যারেজের মধ্যে তারা বাইসাইকেল রেখে বিল্ডিংয়ের কাজ করছিলো। ঐ দিন শনিবার অফিস বন্ধ থাকায় উক্ত গ্যারেজের মধ্যে অন্য কোন গাড়ি ছিল না। শুধু বিল্ডিংয়ের কাজ করা লেবারদের কয়েকটি বাইসাইকেল ছিল। তারা বিল্ডিংয়ের কাজ করা কালীন দুপুর ২টার দিকে খাবার খাওয়ার জন্য নিচে নেমে দেখে তাদের ১টি টাটা জাম্বো লাল ও কালো রংয়ের বাইসাইকেল এবং একই সাথে কাজ করা একই এলাকার আসিদুল ইসলাম ১টি লাল রংয়ের ক্যাপ্টেইন বাইসাইকেলও গ্যারেজের মধ্যে নাই। তখন তারা আশেপাশে খোঁজাখুজি করে কোথাও তাহাদের বাইসাইকেল দু’টি খুজে পায়নি। তখন তারা জানতে পারে একই স্থান হতে এর পূর্বেও অনেকগুলো বাইসাইকেল চুরি হয়েছে। এর পর রিফাত হোসেন মুন্না গত ২১ই জানুয়ারী ২০২০ ইং তারিখে কোতয়ালী মডেল থানায় হাজির হয়ে একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৭১। উক্ত মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা, যশোরের নিকট হস্তান্তর করে। এক পর্যায়ে গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে যশোর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ১১টি বাইসাইকেলসহ এ চোর চক্রের তিন সদস্যকে আটক করে। আটককৃতদের নামে চুরির মামলা দিয়ে আদালতে হস্তন্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান।