অনলাইন ডেস্ক:করোনা উপসর্গ নিয়ে সাংবাদিক, শিক্ষকসহ আরো অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
করোনার উপসর্গ নিয়ে গত রোববার রাতে মারা গেছেন রাজশাহীর সাংবাদিক তবিবুর রহমান মাসুম (৫৫)। তিনি স্থানীয় দৈনিক সোনালী সংবাদের প্রধান প্রতিবেদক এবং রাজশাহী বঙ্গবন্ধু কলেজের প্রভাষক ছিলেন। ক্রীড়া লেখক সমিতি, রাজশাহীর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। তার বাড়ি নগরীর দরগাপাড়ায়।
সোমবার সিরাজগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবুল হোসেন মারা গেছেন। আবুল হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো ছয় জন মারা গেছেন। তারা হলেন-জেলার চান্দিনা উপজেলার নুরুল ইসলামের স্ত্রী রাফেজা বেগম (৬৫), চেরাগ আলীর ছেলে আতিক রাজি (৬৭), বরুড়া উপজেলার মাহবুব উল্লাহর ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৫০), আদর্শ সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শামসুল হকের স্ত্রী বিলকিস বেগম (৪৫), একই উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের স্ত্রী মমতাজ বেগম (৫৫) এবং উজিরপুর গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে আবু তাহের।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে বদর উদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি। বদর উদ্দিন দামুড়হুদার দর্শনা শ্যামপুর গ্রামের মৃত দিদার মণ্ডলের ছেলে। সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, করোনা পরীক্ষার জন্য মৃত বদর উদ্দিনের দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
সিলেটে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। হাসপাতালের আর এমও ডা. চয়ন রায় জানান, পরীক্ষার জন্য মৃতদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
গাইবান্ধা শহরের মধ্যপাড়ায় রোববার রাতে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মোস্তফা লালন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। তিনি মধ্যপাড়ার বাবুল মিয়ার ছেলে। চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টস কারখানায় চাকরি করতেন তিনি।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে মুস্তাক বিশ্বাস (৫০) নামে একজন রোববার রাতে মারা গেছেন। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শামিমা শিরিন জানান. করোনা পরীক্ষার জন্য তার দেহের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে নাছির উদ্দিন (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের বিবিরহাট এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে।