সিনেমা হলের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা
নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে সিনেমা হলের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। হলে দর্শক না থাকলেও দেহ ব্যবসার খরিদ্দার হয় প্রতিদিন সিনেমা হলে তিনটি শোতে ৩০ থেকে ৩৫ জন।
প্রতিটি শোতে খরিদ্দার হয় ১০ থেকে ১২ জন। এ অনৈতিকভাবে কার্যক্রম চলছে দীর্ঘদিন ধরে যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার পূরবী সিনেমা হলে।
সোমবার সকাল আটটার সময় অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়, হলের বাইরে দুটি চেয়ার ও একটি টেবিল রয়েছে। একটি চেয়ারে বসে আছে হলের ম্যানেজার শামসুর রহমান ও অপরটিতে মিলন নামে হলের আরেকজন স্টাফ। এ সময় হল চলছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন নয়টা থেকে বারোটায় শো আছে। তাই এখন বন্ধ আছে। ভিতরে কারা আছে দেখতে চাইলে তিনি প্রথমে আপত্তি করেন। পরের জোর জবরদস্তি করলে ভিতরে ঢুকে দেখা যায় ভিড় অন্ধকার। হলটি বন্ধ আছে। তার ভিতরে রয়েছে একজন সুন্দরী রমণী। পরে হলের এক কোণায় দেখা যায় এক যুবককে। জানতে চাইলে ওই নারী দ্রুত হল থেকে বের হয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তার পিছু পিছু গিয়ে অভয় দিলে তিনি হলে অনৈতিক কাজের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন হলের ভিতর কোন দর্শক হয় না। যারা আসে সবাই খরিদ্দার। তবে তিনি আজ সে কাজে আসেননি বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, আমি একজনের কাছে টাকা পেতাম তাই এখানে এসেছি। বাথরুমের প্রয়োজন হয়েছিল তাই হলের ভেতরে ঢুকেছিলাম। তবে হলের মধ্যে এখনো খরিদ্দার আছে বলে তিনি জানান। হলের মধ্যে গোপন কক্ষ আছে বলেও তিনি স্বীকার করেন।
পতিতা বৃত্তির ভিডিও দেখতে, এখানে ‘ক্লিক’ করুন
হলের মধ্যে দেহে ব্যবসার বিষয়টি নিয়ে ম্যানেজার শামসুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি দেহ ব্যবসার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ সময় তার সাথে থাকা মিলন সাংবাদিক গোপনে ভিডিও রেকর্ড করছে এমন আশঙ্কায় সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।
বিষয়টি নিয়ে মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাটের হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিনেমা হলের ভিতরে আড়ালে এ ধারণার অনৈতিক ঘটনা মারাত্মক অপরাধ। এর ফলে এলাকায় যুবসমাজ নৈতিক স্খুলন হচ্ছে। সিনেমা হলে পতিতাবৃত্তির সত্যতা পেলে ওই সিনেমা হল বন্ধ করে দেয়া হবে বলে তিনি জানান।