স্টাফ রিপোর্টার: যশোরের বহুল আলোচিত হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ছাত্রলীগ কর্মি সন্ত্রাসী ইয়াসিন আরাফাত ওরফে হুজুরে ইয়াসিন আরাফাত হত্যায় জড়িত চার আসামি আটক হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত গাছি দা, চাকু, মোবাইল ফোন ও জব্দ করেছে পুলিশ।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার খুলনা ও যশোরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যশোর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা হত্যা মামলার এসব আসামিদের আটক করেন।
আসামিরা হলেন, যশোর শংকরপুর চোপদারপাড়া আকবরের মোড় এলাকার তোরাব আলীর তিন ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান @ স্বর্ণকার রানা (৩৮), রুবেল হোসেন (৩৫),মোঃ হাফিজুর রহমান (২৩), ও শংকরপুর চোপদারপাড়া আকবরের মোড় আবুল হোসেন ম্যানেজারের বাসার ভাড়াটিয়া রেজাউল ইসলামের ছেলে আঃ কাদের @ শান্ত (২২), স্থায়ী ঠিকানা- ঈশ্বরদী, পাবনা।
খুলনা শিরোমনি প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে রান্না ও রুবেলকে আটক করা হয়
যশোর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রুপণ কুমার সরকার বলেন, বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে যশোর শংকরপুর চোপদারপাড়া আকবরের মোড় এলাকার ক্লাবে ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসির আরাফাত কে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিতভাবে পালিয়ে যায়। এ সময় আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় ওই দিন ই ভোররাতে যশোর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা খুলনা দৌলতপুরের লিন্ডা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান @ স্বর্ণকার রানা নামে দুই সহোদর কে আটক করেন। নিহতের পরিবার পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দুপুরে কোতোয়ালি থানায় কয়েকজনের নাম সহ বেশ কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আটককৃতদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে একপর্যায়ে আরও দুজনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা । তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যা কাজে ব্যবহৃত রামদা, ধারালো চাকু,চাপাতি ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। তাদের আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।