স্টাফ রিপোর্টার: গতকাল সোমবার দুপুরে বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন কাস্টমসের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশের বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা novanews24। এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর নড়েচড়ে বসে কাস্টমসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল থেকে আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন কাস্টমসে আলোচিত সুপারেন্টেন রফিকুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর মামুুনকে ইমিগ্রেশনের ভিতরে দেখা মিললে ও ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের টানাহেঁচড়া বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি কাস্টমসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভারত থেকে আসা যাত্রীদের লাগেজের টেবিল ট্যাক্স টোকেন বন্ধ করে দিয়েছে।
ইমিগ্রেশন এর সূত্রগুলো জানিয়েছে,সোমবার সকালে এক নারী পাসপোর্ট যাত্রীরকে ভারত থেকে আসার পর হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবেদন প্রকাশ পাওয়ার পর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হয় এবং কাস্টমসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেন। ওই দুই কর্মকর্তার কার্যাবলী পরিদর্শনের জন্য আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন কাস্টমসে নতুন করে আরো দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকে আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন কাস্টমসে যাত্রীদের কোন রকম হয়রানি ছাড়াই লাগেজ গুলো স্ক্যানিং করেই ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের ভিতরে উৎফুল্ল তৈরি হয়েছে।
বুধবার সকালে ভারত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রী রমেন দাস জানান, গত চার দিন আগে আমি ভারতের কলকাতায় চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলাম। আমার হার্ট বাইপাস করানো কলকাতা থেকে। তাই পুনরায় ডাক্তার দেখানোর দিন ছিল সেখানে।যেদিন গেছিলাম তখন বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন কাস্টমসে দেখি কাস্টমস কর্মকর্তাদের যাত্রীদের নাজেহালের নানা রকমের চিত্র।কিন্তু আজ ভারত থেকে আসার সময় দেখলাম আমাদের লাগেজগুলো শুধুমাত্র স্ক্যানিং করেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বিষয়টি দেখে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে। এর আগেও গেছি তখন ফেরার সময় লাগেজ গুলি স্ক্যান মেশিনে স্ক্যান করার পরও লাগেজ খুলে মালামাল গুলো বের করে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু নিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করতেন ইন্সপেক্টর মামুন ও সুপারেন্টেন রফিকুল ইসলাম কিন্তু সেটা আজ আর চোখে পড়েনি। আশা করছি সারাবছর বেনাপোল ইমিগ্রেশন কাস্টমসের কর্তৃপক্ষ এ ধরনের আচরণ করবে যাত্রীদের সাথে।