বিশেষ প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মাদক মামলা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
মামলার আসামির মা জয়নব বেগম জানান, বৃহস্পতিবার (৬ই আগস্ট) রাতে শার্শা সীমান্তের আমলাই গ্রামের ব্রিজের উপর থেকে বাগআঁচড়া পুলিশ সদস্যরা নাকি মদসহ জাকির হোসেন নামে একজনকে আটক করে। এর পর রাতে পুলিশ সদস্যরা আমার বাড়িতে এসে আমার ছেলে আলী হোসেন কে খোঁজ করে এবং বলে তার নামে কোর্টের ওয়ারেন্ট আছে। তাকে রাতে বাড়ি না পেয়ে সকালে ফাঁড়িতে তার নামে মামলা করে পুলিশ। যাহা মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা বলে অভিযোগ করেন জয়নাব বেগম। আমি আমার ছেলের এই মিথ্য মামলার তীব্র প্রতিবাদ ও সুষ্ঠ তদন্ত করে সঠিক বিচার চাই।
এ ব্যাপারে সরেজমিনে ওই গ্রামে গেলে আলী হোসেনর মা সহ কয়েকজন এবং স্থানীয় মুক্তের বিশ্বাস জানায়, মিথ্যা ভাবে ফাঁসিয়েছে পুলিশ। আসল মাদক ব্যবসায়িকে মালের সাথে ধরতে পেরেও তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে । সে ভালো ছেলে আমাদের পাড়ায় এর মতো ছেলে হয় না। আমাদের পাড়ায় কোন মানুষ মাদকের সাথে জড়িত নয়। আমরা তার মিথ্যা মামলা প্রত্যহার ও সঠিক বিচার চাই।
স্থানীয় গোগা ইউপি পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার বুলু মেম্বরের নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন কার মাল কি ভাবে পুলিশ আটক করেছে যেহেতু আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না সেহেতু কিছু বলতে পারব না। তবে আমার জানা মতে ছেলেটি ভালো সে বালি ও মাছের ব্যবসা করে।সে এ ধরনের কাজের সাথে জড়িত না।
উল্লেখ্য উল্লেখ্য সম্প্রতি বাগআঁচড়া পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, নিরীহ মানুষকে মামলা দিয়ে ফাঁসানো ও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে র্দীর্ঘ দিন ধরে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ উত্তম কুমার বিশ্বাসের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,মদ নিয়ে আটক হওয়া জাকিরের স্বীকারোক্তিতে আমির হোসেনের নামে মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শার্শা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম জানান,কোন নির্দোষ ব্যাক্তি কে হয়রানি করা হবে না। সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত দোষী কে আইনের আওতাই আনা হবে। পুলিশ যদি কোনো নিরীহ মানুষকে অহেতুক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে । তদন্ত করে তা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।