ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে বেনাপোল দিয়ে ৬১ হাজার ডিম আমদানী

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

আব্দুল্লাহ আল মামুন: এবার দেশের ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৬১ হাজার ৯৫০টি মুরগির ডিম আনা হয়েছে।

রোববার দুপুরে ২৯৫ প্যাকেজে বেনাপোল বন্দরে  ডিমের একটি চালানের প্রবেশ করেছে।

আমদানিকৃত এসব ডিমের ইনভয়েস মূল্য ২৯৫৬.৪০ ইউএস ডলার। প্রতি ডজন ডিমের মূল্য দশমিক ৫৪ ইউএস ডলার। সেই অনুযায়ী বাংলাদেশি টাকায় প্রতিটি ডিমের মূল্য দাড়ায় ৪ টাকা ৯৫ পয়সা। এছাড়া প্রতি ডজন ডিমের নির্ধারিত মূল্যের উপর ৩৩% কাস্টমস ডিউটি আছে। এরমধ্যে ২৫% সিডি, ৩% আরডি এবং ৫% এআইটি। কাস্টমসের ভ্যাট ট্যাক্স পরিশোধসহ প্রতিটি ডিমের প্রকৃত মূল্য দাড়ায় ৬ টাকা ৬১ পয়সা।

এসব ডিমের নিট ওজন ৩৫৪০ কেজি। ঢাকার পশ্চিম রামপুরা এলাকার বিডিএস কর্পোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান এসব ডিম আমদানি করেছে। এসব ডিম রপ্তানি করেছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমতলা নামক স্থানের কানুপ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আমদানী কারকের প্রতিনিধি বেনাপোলের এমি ইন্টারন্যাশনালের মালিক রাতুল ইসলাম মুঠোফোনে সংযোগ দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হন নি।

https://www.novanews24.com/wp-content/uploads/2023/11/1052023191924.jpg

বেনাপোলের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডাক্তার বিনয় কৃষ্ণ মন্ডল কাছে ডিমের পরীক্ষণের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকের প্রতিনিধি আমার কাছে কাগজপত্র নিয়ে এসেছিলো। আমি ইতিমধ্যে জেনেছি ৬১ হাজার অধিক পরিমাণের ডিম বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে পরীক্ষার কোন যন্ত্রপাতি নাই। ভারতীয় সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে এখান থেকে ডিমের ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হবে। তাছাড়া দৃশ্যমান কোন সমস্যা থাকলে সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।

বিষয়টি নিয়ে বেনাপোল এক নম্বর শুলকায়ন গ্রুপের  সুপারেনডেন্ট রেজাউল করিমের মুঠোফোনে সংযোগ দিয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, যেহেতু ডিম আমদানী এই প্রথম। এ কারণে কমিশনার স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে। ডিম আমদানীর উপরে ৩৩ শতাংশ কাস্টমসের ভ্যাট ট্যাক্স আছে। এসব কার্যাবলী সম্পাদন করার পরে সেগুলো পরীক্ষণ করা হবে। এরপরই আমদানিকৃত ডিম ক্লিয়ারেন্স দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

ডিম আমদানীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার অথেলো চৌধুরী প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, আমি পরীক্ষার জন্য মাঠে রয়েছি। ডিম এখনো বেনাপোল বন্দরে এসে পৌঁছায়নি। বন্দরে আসার সাথে সাথে আমদানিকৃত ডিম পরীক্ষণ করা হবে। এরপর যত দ্রুত সম্ভব আমদানিকৃত ডিম ক্লিয়ারেন্স দেয়া হবে।

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *