ঢাকা-ভাঙ্গা রেল চলাচলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০০১ সালে পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করি। খালেদা জিয়া এসে বলে মাওয়া দিযে় হবে না, এটা বন্ধ করে দেন। আসলে ওদের ধ্বংস করাই চরিত্র বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দ্বিতীয়বার যখন পদ্মা সেতু করতে গেলাম আমাদের দেশের এক স্বনামধন্য ব্যক্তি মামলা করে সরকারের বিরুদ্ধে হেরে গেল। সেই ফলে সে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে হিলারি ক্লিনটনকে বলে লোন বন্ধ করে দিয়ে দুর্নাম দিতে চেয়েছিল। আমি চ্যালেঞ্জ দিযে় বলেছিলাম উন্নয়ন করতে এসেছি। শেখ মুজিবের মেযে় দুর্নীতি করে না।

মঙ্গলবার (১০ই অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী ঢাকা—ভাঙ্গা রেল চলাচলের উদ্বোধন শেষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ডা. কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে বিকালে আওয়ামী লীগের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল­াহ, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেযে় দেশে ফিরে আসে অনেক বিদেশি সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এরকম একটি বিধ্বস্ত দেশ, কোন সম্পদ নাই, আপনি কীভাবে এ দেশ গড়বেন? আপনারা জানেন জাতির পিতা কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, আমার মাটি আছে, আমার আমার মানুষ আছে। সেই মানুষ দিযে় আমি দেশ গড়ব। জাতির পিতা বলেছিলেন, বাংলাদেশকে কেউ দাবিযে় রাখতে পারবা না। বাংলাদেশের মানুষকে দাবিযে় রাখা যাবে না। অনেক ষড়যন্ত্র হযে়ছিল, আমার ভরসা বাংলাদেশের মানুষ। বাংলাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ করে দিযে়ছি বাংলার মানুষ যেন ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান মুসলমান একসঙ্গে চলতে পারে এটাই আমাদের মুসলমান ধমের্র শেখায়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিযে় মানুষ স্বাধীনতা এনেছে। আবার এই নৌকা মার্কায় ভোট দিযে় এই ফরিদপুরসহ সারা বাংলাদেশে উন্নয়ন হযে়ছে। নৌকা মার্কা উন্নয়নের মার্কা। আমি জানি ফরিদপুরে কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই। ফরিদপুরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছিল আড়াইশো বেডের। ক্ষমতায় আসার পর ৫০০ শয্যায় উন্নিত করেছি। ফরিদপুরের মানুষের অনেকদিনের আশা একটি বিশ্ববিদ্যালয়। ইনশাআল­াহ আমি আগামীতে সরকারে আসতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয় করে দেব। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় আমরা কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি। ছেলে মেযে়রা কারিগরি শিক্ষায় কর্মসংস্থান যেন পায় আমরা করে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, মেযে়দের পড়াশোনায অবৈতনিক করে দিযে়ছি। মেযে়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিযে়ছি। বিগত নির্বাচনের আগে ওয়াদা করেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দেব। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। সকলে অনলাইন ব্যবহার করে। এখন সকল মা বোনদের হাতে স্মার্ট মোবাইল তুলে দিয়ে দেশকে ডিজিটাল থেকে স্মার্ট এ রূপান্তরিত করেছি। তাই দেশের উন্নয়নে অগ্রগতি রাখতে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে দেশের মানুষকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *