নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের কেশবপুর মিনিবাস মালিক সমিতির সাবেক সম্পাদকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও কুৎসা রটনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ই মে) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের কনফারেন্স রুমে এ সংবাদ সম্মেলন করেন সমিতির বর্তমান সভাপতি খন্দকার শরিফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ মালিক সমিতির সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, যশোর কেশবপুরের বাস ট্রাক মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শুভ্রত মুখার্জির উজ্জলের প্ররোচনায় কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায় বর্তমানের সভাপতি খন্দকার শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যে ও ভিত্তিহীন মূলক অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি গত ইং ১৮ই মে শনিবার দুপুরে কেশবপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রচার করেন, কেশবপুরের সাংসদ সদস্য আজিজের ভাইয়ের নেতৃত্বে কেশবপুর বাস-ট্রাক টার্মিনাল জোরপূবর্ক দখল করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক।
প্রকৃত অর্থে ২০১৪ সাল হইতে ২০২৩ইং সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ দীর্ঘ ১০ বৎসর যাবত সাবেক সাধারন সম্পাদক শুভ্রত মুখাজী উজ্জল সমিতির গঠনতন্ত্রের নিয়ম ভঙ্গ করে জোর পূর্ব দখল করে সমিতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। সমিতি কার্যক্রম পরিচালনার নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তার হাত থেকে বাঁচতে কেশবপুর মিনি বাস-ট্রাক মালিক সমিতির সকল সাধারণ সদস্যরা তার এই অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হোন। এবং গত ১লা মার্চে দুপুর ১২ টায় কেশবপুর বাস মিনি বাস ট্রাক মালিক সমিতির প্রধান কার্যালয়ে সাবেক সহ-সম্পাদক সুকেশ অধিকারীর সভাপত্তিত্বে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনা পর্যালোচনা করিয়া তৎকালীন সভাপতি আফছার উদ্দিন গাজীর মৃত্যুতে ও সাধারণ সম্পাদকঃ শুভ্রত মুখার্জির উজ্জলের দূর্নীতি ও অপকর্ম রুখতে সমিতির সকল মালিকগণ একত্র হয়ে আলোচনা সাপেক্ষে বিগত কমিটি উপর অনাস্থা এনে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করতে একমত পোষন করেন। নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করেন । সমিতির সদস্য খন্দকার শরিফুল ইসলামকে বাস মালিক সমিতির আহবায়ক ও আলমগীর হোসেন কে যুগ আহবায়ক করা হয়।
এই আহবায়ক কমিটি ২ই এপ্রিল হইতে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করেন। গত ২০ই মার্চে আহ্বায়ক কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ২ই মে-তে সমিতির সকল সাধারণ সদস্যকে আহব্বান করে সাধারণ সভার মাধ্যমে সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৫ বছর মেয়াদী ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহীকমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয় খন্দকার শরিফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আলমগীর হোসেন।
নতুন কমিটির সভাপতি এমপি খন্দকার আজিজের ভাই হওয়ায় কু-চক্র মহল বিভ্রান্তিকর কথা বলে সমিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করছে। শুধু তাই নয় দুষ্ট চক্র ও দুর্নীতিবাজ লোকেরা হিংসা পরায়ণ হয়ে কেশবপুর বাস মিনি বাস ট্রাক মালিক সমিতি জোর পূর্বক দখল করে নিয়েছে বলে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
আরো অভিযোগ করা হয়, শুভ্রত মুখাজী উজ্জ্বল সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীনী সময়ে সাধারণ মালিকদের সহিত দূরব্যবহার ও জোর পূর্বক বিভিন্ন সময় উৎকোচ আদায় করেছেন। এমনকি তার অবৈধ কার্য নির্বাহী কমিটি সদস্যবৃন্দের সহিতও দূরব্যবহার করেছেন। এমনকি তাদের কোন প্রকার কথা বলার সুযোগ দেননি। সমিতি সম্পর্কে কিছু বললে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হতো অন্যান্য সদস্যদের। এভাবে ১০টি বৎসর “কেশবপুর বাস মিনি বাস ট্রাক মালিক সমিতির” কার্যক্রম ইচ্ছামত একক ভাবে আধিপত্য চালিয়ে গিয়েছেন তিনি।