বেনাপোল প্রতিনিধিঃ শার্শায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৬টি মুদি দোকানীকে ২ লাখ ১১ হাজার টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গুজব রটিয়ে সারা দেশে পেঁয়াজ-লবনসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়িয়ে আসছিল। উপর মহলের নির্দেশে কয়েক দিন ধরে এসব অসাধূ ব্যবসায়ীদের রুখতে অভিযান চালানো হচ্ছিল। তারাই ধারাবাহিকতায় বুধবার শার্শায় ২০ই নভেম্বর সকাল থেকে বিকাল পর্যন্তউপজেলার বিভিন্ন বাজারের মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে লবনে কারচুপি, ওজনে কম দেওয়া (১কেজির পরিবর্তে ৯ শ” গ্রাম), মূল্য তালিকা না টাঙানো ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখায় নাভারণ বাজারের ৩ টি দোকানীকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা এবং বাগআঁচড়া বাজারের আলী স্টোরের মালিক রফিকুল ইসলামকে ৫০ হাজার, বিশ্বাস স্টোরের মালিক হাজী কলিমুল্লহকে ২০ হাজার, আনোয়ার স্টোরের মালিক আনোয়ার হোসেনকে ৩০ হাজার, ফারুক স্টোরের মালিক ফারুক মুদীকে ৩০ হাজার, কবির স্টোরের মালিক কবিরুল ইসলাম কালুকে ৩০ হাজার, শফি স্টোরের মালিক শফিকে ২০ হাজার টাকা করে ৬ টি দোকানীকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও বেনাপোল বাজারের ব্যবসায়ী আনারসহ ৩ জনকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সর্বমোট মোট ২ লাখ ১১ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
সেই সাথে সকল ব্যবসায়ীকে হুশিয়ারী করে গুজব না রটিয়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে লবনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির জন্য বলা হয় এবং প্রতি ভোক্তার কাছে ২ কেজির বেশি লবন বিক্রি না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোরশেদ আলম চৌধরী জানান, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারকে যারাই অস্থিতিশীল করতে চাইবে তাৎণিক ভাবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন গুজবকারী রেহাই পাবেনা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।