নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে ।
রবিবার (৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগীরা যশোর মেডিক্যাল কলেজের সামনে যশোর-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ সময়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের হটিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
ভুক্তভোগীদের একজন বাদশা মিয়া জানান, একটু বৃষ্টি হলেই যশোর পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শংকরপুর, টিবি ক্লিনিকসহ অধিকাংশ রাস্তায় হাঁটু সমান পানি বেঁধে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে ওঠে। কিন্তু এ অঞ্চলের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা সঠিকভাবে গড়ে তোলা হয়নি। যে কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সড়ক। এলাকার মানুষের ঘরে প্রবেশ করেছে পানি। এতে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।
ভুক্তভোগী শামসুল আলম বলছেন, ‘পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদের। গত তিন দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আছেন তারা। নাওয়া-খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে সমস্যার সমাধানে রাস্তায় নেমে এসেছেন।’ অবিলম্বে তারা পানি নিষ্কাশন উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (পয়ো ও পানিনিষ্কাশন) এস এম কামাল হোসেনের আছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, আমরা শহরে পয়ো প্রণালী রক্ষণাবেক্ষণ সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু ট্রেনগুলোতে পলিথিন ও আবর্জনা জমে পানির প্রবাহ কমে গেছে। ‘ড্রেনগুলো প্রতিনিয়তই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। তবে শনিবার (৬ জুলাই) যশোরে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। যে কারণে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বেশির ভাগ পানি নেমে গেছে। তবে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছিল। তবে সেই জলাবদ্ধতা আস্তে আস্তে কমতে শুরু করেছে। এটি নিয়ে আন্দোলন করার কিছুই নেই বলে তিনি জানান।