নিজস্ব প্রতিনিধি: যশোরে অপহরণও মুক্তিপনের অভিযোগে ৭ সদস্য আটক হয়েছে। গতকাল রোববার সন্ধা ৭টার দিকে যশোর মাইকপট্টি এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের আটক করে যশোর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)একটি দল। আটকতৃতরা হলো, ১। মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪৭), পিতা- মৃত রফিকুল ইসলাম, সাং- জেল রোড ২। মোঃ নয়ন (৩৯), পিতা-ইয়াকুব আলী বিশ্বাস, সাং- ফতেপুর, উভয় থানা-কোতয়ালী, জেলা-যশোর ৩। নুর ইসলাম @ সনি (৩৪), পিতা-মৃত জয়নাল আবেদীন, সাং-পিয়ারী খালী গোরস্থানপাড়া, থানা-ঈশ্বরদী, জেলা-পাবনা ৪। মোঃ রাব্বি হোসেন @ সাদ্দাম (২৬), পিতা-মোঃ মোসলেম আলী @ আঃ গনি, সাং-শেখহাটি বাবলাতলা ৫। মোঃ গোলাম রসুল (৩৬), পিতা-মোঃ হোসেন আলী গাজী, সাং-সার্কিট হাউজপাড়া, ৬। মোঃ আপন ফকির (৩০), পিতা-হালিম ফকির, সাং- পোষ্ট অফিস পাড়া ৭। মানিক মন্ডল (৩১), পিতা-শ্রী শ্যাম মন্ডল, সাং-ষষ্টীতলা পি,টি,আই স্কুলের পিছনে সর্বথানা-কোতয়ালী, জেলা-যশোর। এসময়ে অপহৃত কহিদুল ইসলাম ( ২৮) নামে এক যুবককেও উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ। উদ্ধার কহিদুল ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর থানাধীন কাগমারী এলাকার রাশেদুলের ছোট ভাই। যশোরের পুলিশের পক্ষ থেকে সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, পিপিএম বলেন, ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর কাগমারী এলাকার কহিদুল ইসলামকে মুঠোফোনে মোবাইল ফোনের ব্যবসার কথা বলে যশোরে নিয়ে আসে। এর ওই যুবককে অপহরণ করে তার যশোর মাইকপট্টি এলাকার হাজী আলমগীর হোসেন সুমনের বাসায় আটকে রাখা হয়। এর পর অপহৃত যুবককের বড় ভাই রাশেদের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করে এবং কহিদুলের কাছে থাকা নগদ ৮০ হাজার টাকাও বিকাশের ১৯৬০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে রাশেদুল বিষয়টি যশোর পুলিশ সুপার বরাবর জানান। অপহৃত যুবককে উদ্ধারের জন্য যশোর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)কে দায়িত্ব দেন। এক পর্যায়ে রোববার সন্ধায় যশোর মাইকপট্টির একটি বাসা থেকে অপহৃত যুবকসহ দু’জনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এর পর আটক অপহরনকারীদের স্বীকারাক্তি মোতাবেক ও তাদের মোবাইল ফোন ট্রাক করে হাজী সুমনের মালিকানাধীন ম্যাচ বাসায় অভিযান চালিয়ে আরো ৫ অপহরণকারীকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময়ে অপহরণকারীদের কাছ থেকে ১৮,৫০০ টাকা, ০৩টি নন-জুডিশিয়াল