ওয়াকিটকি-হ্যান্ডক্যাপসহ ভূয়া চার ডিবি পুলিশের সদস্য গ্রেফতার

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

বিশেষ প্রতিনিধি:: যশোরের ডিবি পুলিশ ঢাকা ও যশোরে অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি করা সোনার গহনা উদ্ধারসহ ৪জনকে আটক করা করেছে।

একই সাথে ডাকাতির কাছে ব্যবহৃত একটি স্টিলের তৈরী হ্যান্ডক্যাপ, দুইটি কালো রংয়ের ওয়াকিটকি, দুইটি স্কসটেপ এবং সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো-খ-১১-৮০৫৭) জব্দ করা হয়েছে। এদের মধ্যে পেশাদার ডাকাত দলের সদস্যও রয়েছে।

আটক চারজন হলো, শহরের ষষ্টিতলাপাড়ার ফরিদ হোসেনের ছেলে নিশান হোসেন (২৫), শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের গাজীপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে উজ্জল হোসেন (২৯), শহরের খড়কী বামনপাড়ার মৃত সলেমান শেখের ছেলে রতন শেখ (৪৫) এবং শহরতলীর পুলেরহাট তফসীডাঙ্গা গ্রামের ইয়ারব মোড়লের ছেলে মোছাব্বির হোসেন টুটুল (২১)। এদের মধ্যে নিশানের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় ১৮টি মামলা ও টুটুলের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা আছে।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, যশোর থেকে সাতক্ষীরায় যাওয়ার পথে সুবীর কুমার দাস নামে এক ব্যবসায়ীর ১৯ ভরি ওজনের সোনার অলংকার ছিনিয়ে নেয়া হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের (ভায়া চুকনগর) শহরতলীর রাজারহাট রেলক্রসিং এর কাছ থেকে ব্যবসায়ীর শ্যালক, দোকান কর্মচারি ও প্রাইভেটকার চালককে জিম্মি করে এক দল দুর্বৃত্ত্ব। এরপর তারা প্রাইভেটকার চালককে তাদের প্রাইভেটকারে উঠিয়ে নেয়। তার শ্যালক আনন্দের কাছে থাকা ১৯ ভরি সোনার গহনা কেড়ে নেয়। তারে কাছে থেকে মোট চারটি মোবাইল ফোনসেট কেড়ে নেয়। আনন্দের কাছ থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকাও কেড়ে নেয়। পরে প্রাইভেটকারটি চালিয়ে মণিরামপুর উপজেলার ট্যাংরামারি গ্রামের একটি ফাঁকা স্থানে নিয়ে গিয়ে তাদের নামিয়ে দেয় হয়। চালক সত্যজিৎকে আরো কিছুদুর নিয়ে ফেলে দেয়। এই ঘটনায় পর তিনি যশোর কোতয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।

এই মামলা তখন থেকে তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে ঢাকা কোতয়ালি থানাধীন তাতী বাজারের হাজী মার্কেটের তৃতীয়তলা থেকে নিশান ও উজ্জলকে আটক করা হয় তাদের কাছ থেকে ৫ ভরি ১১ আনা সোনার গহনা উদ্ধার করা হয়। তারা জানায়, তাদের আরো দুইজন সদস্য আছে এই গ্রুপে। তথ্য পেয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোর শহরতলীর পুলেরহাট এলাকা থেকে টুটুল ও রতন শেখকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি স্টিলের তৈরী হ্যান্ডক্যাপ, দুইটি কালো রংয়ের ওয়াকিটকি, দুইটি স্কসটেপ এবং সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো-খ-১১-৮০৫৭) জব্দ করা হয়েছে। ওই প্রাইভেটকার ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে তারা দীর্ঘদিন ধরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি করে আসছে। সাতক্ষীরার সোনা ব্যবসায়ী সুবীর দাসের সোনার গহনা তারাই ডাকাতি করেছিল বলে স্বীকার করেছে। এদের মধ্যে উজ্জল হোসেন আদালতে গত রোববার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আর নিশান ও টুটুলের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিশান ও টুটুল দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই ডাকাতি করে আসছে। তারা স্থান ভেদে নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে থাকে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মানুষের মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *