সুদের টাকা নিয়ে বিবাদ, ছেলেকে তুলে নেয়ার চেষ্টা 

নিউজটি শেয়ার লাইক দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদের টাকা নিয়ে বিবাদে ১৫ বছরের ছেলে পিয়াস ঘোষকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষরা। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মাধ্যমে ছাড়া পান ওই যুবক।  ঘটনাটি ঘটেছে জেলার মনিরামপুর উপজেলা জামালপুর ঘোষপাড়া এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান পলাশ ঘোষ একজন সুদে ব্যবসায়ী। সে এলাকায় উচ্চ মূল্যে সুদে টাকা লাগিয়ে থাকে। কয়েক বছর আগে আবুল হাসান নামে একজন শিক্ষক সুদে তিন লাখ টাকা নেন। সেই টাকা পরে সুদে আসলে পাঁচ লাখে দাঁড়ায়। স্থানীয়ভাবে সালিস করে বিষয়টি মীমাংসা করা যায়নি। একপর্যায়ে আবুল হাসান পলাশ ঘোষকে ৫ লাখ টাকার একটা চেক দেন। পরে তিনি ব্যাংকে গিয়ে ওই টাকা না পেয়ে আদালতে মামলা করে। সেই মামলায় আবুল হাসানকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের সাজা দেন আদালত। ওই মামলায় কিছুদিন কারাবন্দী থাকার পর আদালতের মাধ্যমে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে জামিন পান আবুল হাসান। এরপর গতকাল রাত আটটার দিকে আবুল হাসান কয়েকজনকে নিয়ে পলাশ ঘোষের বাড়ি গিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। ক্ষতিপূরণ দিতে না চাইলে তার ছেলে পিয়াস কে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আশেপাশের লোকজন এসে এক বিএনপি নেতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করেন।

 

তবে পলাশ ঘোষ অভিযোগ করে বলেন, টাকা পয়সা লেনদেনের জের ধরে শিক্ষক আবুল হোসেন গতকাল রাত আটটার দিকে সাত-আটটি মোটরসাইকেলে করে আবুল হাসানসহ ১৫–২০ জন আমার বাড়িতে আসেন। তাঁরা আমার ছেলের (পিয়াস) গলায় ছুরি ধরে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। আমাকে মারধর করেন; বাড়িতে লুটপাটও চালান। হামলাকারীরা আমার স্ত্রী ও মায়ের গলা থেকে স্বর্ণালংকার, টাকা এবং তিনটি মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। টাকা না পেয়ে তাঁরা জোর করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে আমার স্বাক্ষর নেন। পরে তাঁরা আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং আমার ছেলেকে অপহরণ করে নিয়ে চলে যান।’

 

বিষয়টি নিয়ে মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী মাসুদের মুঠোফোনের সংযোগ দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এমন ধরনের কোন খবর আমার কাছে নেই।

Comments (0)

Your email address will not be published. Required fields are marked *